“এদেশের মানুষ ক্ষমতাকে প্রশ্ন করা শিখে গিয়েছে। যেখানে বৈষম্য হবে, সেখানেই মানুষ প্রশ্ন করবে। সেটা আর দমিয়ে রাখা যাবে না। আমরা আজকে এসেছি প্রাথমিক শিক্ষকদের সাথে সংহতি জানাতে।”
তিনি আরো বলেন,
“শিক্ষক জাতির শিক্ষক—তারা আমাদেরকে শিক্ষা দেন। আবার আমরা বলি শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড। তাহলে শিক্ষকরা যদি সন্তুষ্ট না হন,এই জাতির মেরুদণ্ড কীভাবে খাড়া হবে?”
বেতন বৈষম্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন,
“সচিব, আমলা, পিয়নদের বেতন শিক্ষকদের থেকে বেশি কেন? এদেশের সচিবদের বাসায় যারা রান্না করে, তাদের বেতন নাকি শিক্ষকদের চাইতেও বেশি। এই অসম্মানজনক অবস্থা থেকে শিক্ষক সমাজকে মুক্ত করতে হবে।”
তিনি দাবি জানান,
“বাংলাদেশের শিক্ষাক্ষেত্রে যত বৈষম্য আছে—বেতন কাঠামোসহ সব বৈষম্য দূর করতে হবে।”
জুলাই আন্দোলন ও শিক্ষা সংস্কার প্রসঙ্গে তিনি বলেন,
“এই বিপ্লবের পর সবচেয়ে জরুরি কাজ—শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার। কমিশন গঠন জরুরি। না হলে কোনো পরিবর্তন টিকবে না। শিক্ষা কমিশন গঠন না হওয়া মানে জুলাইয়ের সাথে বেইমানি।”
আন্দোলন দমন প্রসঙ্গে তিনি সতর্ক করে বলেন,
“শিক্ষকদের গায়ে হাত তুলবেন না। আন্দোলন দমনের চেষ্টা করবেন না। হাসিনার সময়কার রীতি—দমন, ব্যর্থ হলে সমঝোতা—এটা বন্ধ করতে হবে।”
তিনি বলেন,
“আজকের মধ্যেই আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করুন। শিক্ষকদের মাথার তাজ বানিয়ে রাখুন—তাদের রোদে-বৃষ্টিতে দাঁড়িয়ে থাকতে দেবেন না।”
রাজনৈতিক পরিকল্পনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন,
“জাতীয় নাগরিক পার্টি ভবিষ্যতে দেশ চালাবে ইনশাআল্লাহ। ইমরান খান প্রথমে জিতেননি, পরে জিতেছেন। আমরাও সেই পথেই যাবো। যারা মাটির মানুষ, তারাই শিক্ষকদের কষ্ট বোঝে।”
শেষে তিনি বলেন,
“আমরা মধ্যবিত্ত-নিম্নবিত্তের প্রতিনিধি। তরুণ নেতৃত্ব আসছে—এটা কেউ থামাতে পারবে না। মানুষের সাথে থাকলে মানুষই সমর্থন দেবে।”